CC Camera

H S C result (2013)

Sunday, April 1, 2012

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের চোখের যত্ন


আপনাকে হয়তো প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটার নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে; এজন্য অনবরত তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে মনিটরের দিকে। হয়তো স্ক্রিনে পড়তে পড়তে আগের লাইনের সঙ্গে পরের লাইন মিশে যায় বা একটি শব্দ পার্শ্ববর্তী শব্দের সঙ্গে মিশে যায়; মনিটরে কাজ করতে করতে মাথা তুললে কিছুক্ষণের জন্য দূরের জিনিস ঝাপসা দেখায়; কখনও বা একটি জিনিসের দুটো ইমেজ দেখা যায়। এক্ষেত্রে আপনার আশঙ্কা হতে পারে, নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করতে করতে আপনার চোখের কোনো ক্ষতি হলো কিনা?
কম্পিউটার ভিশন সিন্ড্রোম বা সিভিএস
আপনাকে আশ্বস্ত করে বলা যায়, কম্পিউটারে কাজ করার জন্যই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এখনও এমন অভিযোগ শোনা যায়নি। তবে কম্পিউটারের মনিটর নিয়ে যারা নিয়মিত কাজ করেন তাদের প্রায় ৬০-৭০ ভাগ কম্পিউটার ভিশন সিন্ড্রোম বা সিভিএস দ্বারা আক্রান্ত। মনিটর কিন্তু এই সিন্ড্রোম তৈরি করে না। আসলে চোখের গঠনগত, কার্যগত বা জৈব রসায়ন ঘটিত অসঙ্গতির কারণে যদি কম্পিউটারে স্বাভাবিক কাজের বিঘ্ন ঘটে, তবে সেই পরিস্থিতিই হলো কম্পিউটার ভিশন সিন্ড্রোম বা সিভিএস। কারও যদি সিভিএস আসে এবং তা যদি আমলে না নিয়ে কাজ করার প্রবণতা থাকে, সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নানা রকম জটিলতার জন্য হয়তো কম্পিউটারের কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে বা কম্পিউটারে কাজ করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকতে হতে পারে।
এজন্য যা যা করতে পারেন
এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে মনিটর এবং চোখের প্রতি বিশেষ নজর দেয়া উচিত। যেমন—
১. মনিটরের গুণগত মান ভালো হওয়া চাই।
২. কম্পিউটারের মনিটর যেন সব সময় চোখের লেভেল ৪ ইঞ্চি-৮ ইঞ্চি নিচে এবং ২০ ইঞ্চি-২৮ ইঞ্চি দূরে থাকে। মনিটরটা সামান্য উপর দিকে রাখতে হবে।
৩. মনিটরের উজ্জ্বলতা এবং কনট্র্যাস্ট লেভেল চোখের সহনীয় পর্যায়ে রাখা উচিত। বর্ণের আকার যতটা সম্ভব বড় এবং কম্পিউটার স্ক্রিনের ব্যাকগ্রাউন্ডের রং চোখের পক্ষে আরামদায়ক হওয়া উচিত।
৪. ঘরের আলো এমনভাবে রাখতে হবে যাতে সেই আলো সরাসরি মনিটর বা চোখের ওপর এসে প্রতিফলিত না হয়।
৫. কি-বোর্ড হাতে রপ্ত হলে ভালো, না হলে কি-বোর্ডকে মনিটরের যতটা সম্ভব কাছে রাখতে হবে যাতে মনিটর থেকে কি-বোর্ডে চোখের মুভমেন্ট কম হয়।
৬. যদি অফিসঘর অপরিসর হয় এবং বাইরের দৃশ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তাহলে মনিটরের উল্টো দিকে বা প্রয়োজনে স্ক্রিন সেভাবে এমন কোনো ল্যান্ডস্কেপ রাখতে হবে যেটা অবসর সময়ে চোখকে আরাম দেবে।
চোখের সাবধানতা নিয়ে কথা
চোখের পলক স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি মিনিটে ১২-১৪ বার পড়ে। কিন্তু আমরা যখন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকি, তখন চোখের পাতা পড়ার হার অনেক কমে আসে। চোখের পাতা কম পড়ার কারণে চোখের উপরিভাগের আর্দ্রতা কমে যায়। যারা এসিতে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে এটা আরও ত্বরান্বিত হয়। একে ‘ড্রাই আই’ বলে।
বার বার চোখের পাতা ফেলতে হবে
চোখের পাতার অনেক কাজের মধ্যে একটা প্রধান কাজ হলো অশ্রুগ্রন্থি নিঃসৃত পানিকে চোখের মধ্যে সমভাবে ছড়িয়ে দেয়া; যাতে তা চোখের উপরিভাগের আর্দ্রতা, মসৃণতা, পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখে বা বাড়িয়ে তোলে। এর অভাবে চোখের নানা উপসর্গ হতে পারে, যা সিভিএসের জন্য ভীষণভাবে দায়ী। সে কারণে প্রথম প্রথম খুব সচেতনভাবে বার বার চোখের পাতা ফেলার অভ্যাস করতে হবে। পরবর্তী সময়ে যা সু-অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।
দরকার চোখের বিশ্রামের
সাম্প্রতিককালে কম্পিউটার জগতে ২০/২০ বা ৬০/৬০ আন্তর্জাতিক স্লোগান চালু হয়েছে, যার অর্থ আপনি কম্পিউটারে টানা যত মিনিট কাজ করবেন, ঠিক তত সেকেন্ড চোখকে বিশ্রাম দেবেন। কম্পিউটারে কাজ করার ফাঁকে উচিত ঘাড়ের দু’একটা ব্যায়াম করা এবং নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে নিয়ম করে চোখেমুখে একটু পানি দেয়াা।
— চোখের ত্রুটির কারণে অনেককেই চশমা ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু কম্পিউটারে কাজ করার ক্ষেত্রে চশমা একটা বিরাট অন্তরায়। এর থেকে রেহাই পেতে হলে আপনাকে নিতে হবে এমনই একটা চশমা যেটা আপনাকে কম্পিউটারে সাবলীলভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে। অবশ্যই সেটা হবে এমন একটা চশমা, যেটা মনিটরকে দেখতে এবং একইভাবে কাছের জিনিস দেখতে সাহায্য করবে। অর্থাত্ যেটাকে কাছের এবং মধ্যবর্তী দূরত্বের কম্বিনেশন চশমা বলা হয়ে থাকে।
— স্ক্রিনটা ২০ ইঞ্চি-১৪ ইঞ্চিকে কাছের দূরত্ব ধরা হয়। চশমার উপরিভাগ দিয়ে মনিটর দেখা যাবে আর নিচের অর্থাত্ বাইফোকাল অংশ দিয়ে কাছের কাজ করা চলবে। অবশ্য এটা হাঁটাচলায় ব্যবহার করা যাবে না, সেক্ষেত্রে আলাদা আরেকটা চশমা রাখতে হবে। চশমার লেন্সে এন্টি রিফুলেকটিং কোটিংয়ের ব্যবহারও কম্পিউটারের কাজের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক কালে সমাদৃত হচ্ছে।
সচেতনতাই কাম্য
আমাদের দেশে এখনও পর্যন্ত এমন কোনো চোখের পরিষেবা কেন্দ্র চালু হয়নি, যেখানে কেবল সিভিএস সংক্রান্ত বিশেষ বিভাগ বা বিশেষজ্ঞ আছেন। তবে ইউরোপ ও আমেরিকার মতো কিছু কিছু উন্নত দেশে এ বিষয়ে প্রচুর কাজ হচ্ছে। বাস্তবতার তাগিদে এ ধরনের পরিষেবা আমাদের দেশেও চালু করা অত্যাবশ্যক। তবে যতদিন না তেমন কোনো পরিষেবা কেন্দ্র চালু হচ্ছে, ততদিন সবার সচেতনতাই কাম্য।

Post Comment

Monday, October 31, 2011

গুরুতর ভাইরাস আক্রমনের পরে যেভাবে উইন্ডোজ এক্সপি রি-ইন্সটল না করে পিসি রিকভার করবেন!!!


মানব শরীরে যেমন বিভিন্ন রোগের ভাইরাস জীবাণু আক্রমনের মাধ্যমে এক বা একাধিক রোগের সৃষ্টি করে ঠিক তেমনি কম্পিউটার ভাইরাসও নানা উপায়ে আপনার কম্পিউটারে ধংসাত্যক করমকাণ্ড ঘটাতে পারে। তো অনেক সময় কম্পিয়টারে ভাইরাস আক্রমণ ঘটতেই পারে। অনেক সময় ভাইরাস আক্রমণের পরে যখন কোন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে একে রিমুভ করা হয় তারপরও দেখা যায় যে পিসি আগের মতই মনে হচ্ছে। এর কারণ উইন্ডোজের যে সকল দরকারী ফাইল ভাউরাস দ্বারা ইনফেক্ট হয়েছিল সেগুলো প্রায় নষ্ট হয়ে যায়।এমতাবস্থায় আপনার পিসিকে আগের মত সুন্দর ও গোছালো করতে আপনি কি করেন? নিশ্চই এক্সপি রি-ইন্সটল করেন যা বেশ সময় সাপেক্ষ। এক্ষেত্রে আপনাকে সুন্দর একটি সমাধান দিতে রয়েছে রি-ইনেবল {Re-Enable}। এটি আপনাকে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত উইন্ডোজের দরকারী ফাইল গুলোকে রি-ইনেবল করে আপনার পিসিকে করে দিবে সম্পুর্ণ সুপার পিসি। নতুন করে ইন্সটল করলে পিসি যেরকম হয় ঠিক সেরকম হয়ে যাবে। আর তাছাড়া এক্সপি রি-ইন্সটল করলে আপনার ইন্সটলকৃত পূর্বের সফটওয়্যারগুলো রি-ইন্সটল করতে হয়। যা বেশ ঝামেলার। তাই ঝামেলায় না জড়িয়ে রি-ইনেবল ইউজ করে আপনার পিসিকে রাখুন সুস্থ সবসময়।

স্ন্যাপশটঃ

রি-ইনেবল এর মাধ্যমে আপনি যা যা রি-ইনেবল করতে পারবেন-

১.উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি।

২.কমান্ড লাইন টূল।

৩.টাস্ক ম্যানেজার।

৪.সিস্টেম রিস্টোর কনফিগ।

৫.ফোল্ডার অপশনস।

৬.রান কমান্ড।

৭.মাই কম্পিউটার।

৮.টাস্ক সিডিউলার।

৯.রাইটক্লিক কন্টেক্সট মেন্যু।

১০.এম.এস কনফিগ।

১১.কন্ট্রল প্যানেল।

১২.সার্চ

এটি মুলত এক্সপির জন্য তৈ্রি হলেও ভিস্তাতেও কাজ করে।

ডাউনলোড করুন এখানে {মাত্র ৭৭৩ কেবি}


 ***এটি চালাতে হলে আপনার কম্পিউটারে ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক ইন্সটল করা থাকতে হবে। যদি ডট নেট ফ্রেমওয়্যার্ক ইন্সটল করা না থাকে তাহলে এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন



এটি পুর্বে http://www.djarifrocks.tk তে প্রকাশিত।

(সম্পূর্ণ লেখাটি  এখান থেকে নেয়া)

Post Comment

Sunday, October 30, 2011

হার্ডডিস্কের খোজ নিয়ে দেখেছেন কখনো, সে কেমন আছে?


কম্পিউটার চালাচ্ছেন। ইউপিএস নাই, কারেন্ট চলে যাচ্ছে বারবার। ইউপিএস থাকলেও ব্যাকআপ দেয় না মাঝে মাঝে। এরকম কত ঝড়তুফান যাচ্ছে হার্ডডিস্কের ওপর দিয়ে আপনি হয়তো বুঝতেই পারেন না। এভাবে চলতে থাকলে সে ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। একদিন হঠাত করে মারা যায়। তখন আপনার মাথায় হাত। তাই সময় থাকতে দেখে নিন তার শারীরিক অবস্থা কেমন আছে। খারাপ হতে থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন। এতে ডেটা লসের হাত থেকে বেঁচে যাবেন।

HDD-Health

এটা রান করে হার্ডডিস্ক সিলেক্ট করলে হেলথ দেখতে পাবেন।

HDD-Scan 

এটা রান করে SMART সিলেক্ট করেন। তারপর দেখেন সব Attribute Name এর পাশে সবুজ আইকন আছে কি না। সবুজ থাকলে ঠিক আছে। হলুদ হলে সমস্যা আছে তবে গুরুতর কিছু না। লাল হলে তো বুঝতেই পারছেন।

তাছাড়া দুইটাতেই আরো অনেক অপশন আছে। এগুলা দেখলেই বুঝবেন।

আপনার আমার সকলের হার্ডডিস্ক দীর্ঘজীবি হোক

Post Comment

Tuesday, October 25, 2011

মায়ের ছবি ঐ ফ্রেমে বাঁধানো...আমার দিকে চেয়ে আছে... শুধু মা নেই।

‘কিছুদিন আগে এক মা এখানে মারা গেলেন। অফিস থেকে তাঁর ছেলের কাছে ফোন করা হলো। ছেলে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে চাকরি করেন। তাঁকে আসতে বলা হলে তিনি আসবেন বলে কথা দেন। তাঁর জন্য অপেক্ষা করতে করতে সময় পেরিয়ে যাচ্ছিল। এর মধ্যে আরও কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে জানাজা করে লাশ কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে আমি ওই ছেলেকে ফোন করি। তিনি জানান, মায়ের লাশ দেখতে আসার সময় নেই তাঁর। আমরা যেন দাফন করে কবর দিই।’

উপরের কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা খতিব আবদুল জাহিদ। যিনি মুকুল নামেই বেশি পরিচিত।

একজন মা কত কষ্টে একজন সন্তানকে দুনিয়ায় আলো দেখান তা যদি ছেলেটি জানতো হয়ত চন্দ্রে অভিজানে থাকলেও সে তার মাকে শেষবারের জন্য ছুটে আসতো দেখতে। ছেলেটি যদি জানতো প্রায় বছর সময় ধরে কত কষ্ট সে তার মাকে দিয়েছিল গর্ভে, তবে সে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কাজ ফেলে ছুটে আসতো মায়ের শেষ যাত্রায়। যদি জানতো কত কষ্টে আর জ্বালাতন সহ্য করে তাকে তিলে তিলে মা দুনিয়ার বুকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তবে সে পাগলের মত ছুটে আসতো মাকে শেষ বিদায় জানানোর জন্য। না সে আসেনি। হয়ত বিধাতায় চাননি এমন হারামজাদা সন্তান দেখুক তার মাকে যে জীবদ্দশায় তার সেবা না করে রেখে এসেছিল বৃদ্ধাশ্রমে। বিধাতা হয়ত চাননি এই হারামজাদা মার কবরে মাটি দিয়ে তাকে অশ্রদ্ধা করুক। বিধাতা ঠিক কাজই করেছেন তাকে সেখানে না নিয়ে। শেষ করছি একটা ছোট কবিতা দিয়ে,

''বিধাতা তোমার কাছে মোর ফরিয়াদ
দিওনা কো কভু কোন মায়ের কোলে এমন সন্তান
মানব তো নয়, পশু সন্তানও হবার যোগ্য সে নয়
অবোধ লীলায় স্বর্গের চাবি দূরে ঠেলে দিতে যে পেরেশান''

মা' কে নিয়ে অখ্যাত এক শিল্পীর অবিশ্বাস্য আবেগের একটি গান-



আর নচিকেতার অমর সেই গান দিয়ে

‘ছেলে আমার মস্ত মানুষ, মস্ত অফিসার/
মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার-ওপার/
নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামি দামি/
সবচেয়ে কম দামি ছিলাম একমাত্র আমি/
ছেলের আমার, আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম/
আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম।’


*লেখাটির ছবি এবং উপরের কোট করা অংশটি "ছুটির দিনের" ৮ অক্টোবর সংখ্যা থেকে নেয়া। 

Post Comment

Saturday, October 22, 2011

খালি পায়ে হাটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

খালি পায়ে হাটা ও দৌড়ানো অনেক ক্ষেত্রেই জুতা পরে হাটার চেয়ে বেশি উপকারী। পায়ের বেশ কিছু রোগের জন্য আমেরিকার বিশেষজ্ঞ দল জুতা পরে হাটাকেই দায়ী করেছেন। হার্ভাট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানী ডেভিস মূলতঃ মানুষের চলাফেরা এবং এর উপরে বর্তমান সময়ের জুতাগুলো স্বাস্থ্যসম্মত কিনা তা গবেষণা করছেন।

pavement pounders prone সহ বেশ কিছু রোগের জন্য নিয়মিত জুতা পরে দৌড়ানোকেই দায়ী করেছেন- চিকিৎসকগণ।


তিনি জানান,

“যখন আপনি হিলওয়ালা জুতা পরে দ্রুত দৌড়ান তখন পায়ের একটি অংশে শরীরের সম্পূর্ণ ভর দেওয়া হয়, এবং অন্য অংশে কোন চাপ পরে না। এবং যদি খালি পায়ে হাটা হয় তখন সম্পূর্ণ পায়ে-ই একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। “

এই বেপারে পর্যবেক্ষণের জন্য কেনিয়ার রানারদের উপরে পরীক্ষা চালানো হয়। তাদেরকের জুতা পরে নিয়মিত দৌড়ানোর পরে খালি পায়ে দৌড়াতে দিলে তাদের পায়ে একটি ব্যথা অনুভব হয়। জুতা পরে দৌড়ালে চলাফেরার জন্য আলাদা একটি প্যাটার্ণ তৈরী হয়। মাংশপেশীগুলোও সেই ভাবে সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়। কিন্তু খালি পায়ে হাটলে সেই মাংশপেশীতে আবার টান পরে এবং তাই ব্যথা অনুভব হয়।

এজন্য অবশ্য এমন ধরনের জুতা বানানো যেতে পারে যার মাধ্যমে পায়ের স্বাভাবিকতা বজায় থাকবে এবং পায়ের সাধারন চরাফেরায় ব্যঘাত হবে না।

Post Comment

পুষ্টিগুনে ভরপুর লেবু

“বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহিম”। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালোই আছি। বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যস্ত আছি কলেজে এডমিশন নিয়ে। তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে আর সময় করে লেখা হয়ে ওঠেনি। আজ সময় পেলাম তাই কোন রকম দেরী না করেই লিখতে বসে গেলাম। লিখতে বসেই একটা ভীষন বিপদে পড়লাম। আর সেটা হলোঃ কী নিয়ে লিখবো আজ? অনেক ভাবনা চিন্তা করে শেষ-মেষ স্বাস্থ্য নিয়ে লিখবো ঠিক করলাম। আর যেই ভাবা সেই কাজ। আমি আজ লেবু নিয়ে আলোচনা করবো।

সত্যি বলতে লেবু চেনেন না এমন লোক হয়তবা খুব কম মানুষই খুজে পাওয়া যাবে। ছোট-বড় সবাই লেবুর শরবত পান করেন। বিশেষ করে এই রমজান মাসে ইফতারের সময়। যেন লেবুর শরবত ছাড়া আমাদের ইফতার ঠিক জমে উঠে না। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে, অন্যান্য সময় দেখা যায় লেবু না খেতে খেতে এই লেবুই আমাদের ডাইনিং টেবিলে শুকিয়ে যায়। নানান অজুহাত দেখিয়ে কোন ঠাসা করে দিয়েছি আমরা এই লেবুকে। কিন্তু যদি আপনি এই লেবুর পুষ্টিগুন সম্পর্কে ভালো-ভাবে জানেন তাহলে হয়তবা লেবু খাওয়াটা আপনার প্রতিদিনের একটা অভ্যাসে পরিণত হবে। আর আমিও সেটাই চাই যেন আপনাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। মুলত এই লেবু অন্যান্য যে কোন ফলকে টেক্কা দিতে পারে পুষ্টিগুনের দিক থেকে। যাহোক, আসুন বেশী কথা না বলে এর পুষ্টিগুন নিয়ে আলোচনা করি।
উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ

লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি আর পটাশিয়াম। আছে আরো কিছু প্রয়োজনীয় উপাদান। তবে ভিটামিন সি আর পটাশিয়াম মিলে শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে কাজ করে। এছাড়া লেবুর পটাশিয়াম হৃৎপিন্ডের কর্মক্ষমতাও বাড়ায়।
মানসিক চাপঃ

লেবুর রসের ভিটামিন সি দূর করে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা। মানসিক বিষন্নতায় শারীরবৃত্তীয় কারণেই ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দেখা দেয় দেহে। লেবুর রস সেটি পূরণ করে খুব নিমিষেই। যার ফলে চাঙ্গা হয়ে ওঠে মন।
সুন্দর ত্বকের জন্যঃ

ত্বকের ক্ষত পূরণে লেবু ভারি কার্যকর। লেবু ত্বকে কোলাজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ত্বক হয় আরো উজ্জল ও কোমল। ত্বকের পোড়া ভাব যেমন দূর করতে পারে ঠিক তেমনি চোখের চারিপাশের কালো দাগও মিলিয়ে দিতে পারে।
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়ঃ

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে উল্লেখযোগ্য কাজ করে লেবুর রস। এটি শরীরের উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা যেমন বাড়িয়ে দেয় ঠিক তেমনি ভাবে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল রাখে নিয়ন্ত্রনে।
সুস্থ দাতেঁর জন্যঃ

তাজা লেবুর রস দাতেঁর ব্যথা উপশমে সাহায্য করে। মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে লেবু খুব কার্যকর। আর দাঁতে প্লাক জমার কারণে যে অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ পড়ে, তা সরাতেও লেবুর রস সাহায্য করে।

Post Comment

Friday, October 21, 2011

পিসি ক্লিনআপ এর কয়েকটি কৌশল


উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের অনেকেই পিসিকে ফাষ্টার রাখার জন্য কত কিছুই না করি, কেউ এই সফটওয়্যার সেই সফটওয়্যার সহ সব কিছুই ট্রাই করেনকিন্তু সফটওয়ার ব্যবহার করে পিসি দ্রুততর করা আর সফটয়্যার ব্যববহার না করে পিসিকে মন্থর গতিতে রাখা আমার মতে একই ব্যাপারতার মানে এই না যে আমি বলছি সফটওয়্যার অকাজেরএটা আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা বলছেতবে হা কোন সফটওয়্যার ইউজ না করেও একটু নোটপ্যাডকে কাজে লাগিয়ে পিসিকে দ্রুতততর করতে পারিতবে তার আগে আমি ম্যানুয়াল কিছু পদ্ধতি বলে নিতে চাই


যেমন আপনার পিসিতে জাঙ্ক ফাইলগুলো জমে মূলত TEMP বা %TEMP% RECENT ফোল্ডারেতো আপনি রান থেকে এই তিনটি কমান্ড হিট করলেও অনেক ক্ষেত্রে কাজে আসবেনিচে কমান্ডগুলো দেওয়া হল

Start>> Run>> Temp>> Ok/Enter>> Ctrl+A>> Shift+Delete

Start>> Run>> %Temp%>> Ok/Enter>> Ctrl+A>> Shift+Delete

Start>> Run>> Recent>> Ok/Enter>> Ctrl+A>> Shift+Delete

আর অনেক্ষন পিসি চালানোর পর পিসিটিকে মন্থর গতির মনে হলে নিচের কমান্ডটি

Start>> Run>> TREE>> Ok/Enter

আর নিচে কোড গুলো কপি করে নোটপ্যডে নিয়ে সেইভ করুন .bat ফরমেটে
তারপর রান করুন, এটা আপনার টেম্প ফোল্ডারটীকে ক্লিন করবে

@echo off

if %username% == Administrator.WINDOWS goto admin

REM ** Delete User Files **

rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%

\Recent”
rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%\Local

Settings\Temp”
rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%\Local

Settings\History\History.ie5
rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%\Local

Settings\Temporary Internet Files\content.ie5

goto end

:admin
REM ** Do some extra stuff here **
REM ** What ever you want….. **

ECHO You are a Administrator

rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%

\Recent”
rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%\Local

Settings\Temp”
rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%\Local

Settings\History\History.ie5
rmdir /S/Q “%systemdrive%\Documents and Settings\%username%\Local

Settings\Temporary Internet Files\content.ie5

REM ** Do more stuff here **
REM ** Blah, blah, blah……**

:end
exit

ফাইলের নাম হতে পারে এমন abs.bat

আশা করি বুঝতে সমস্যা হবেনাতো কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেননা কিন্তু

Post Comment